আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

March 5, 2026 লিখেছেন:

দারুল উলুম দেওবন্দের অনুসরণে বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অনুকরণে, যুগোপযোগী শিক্ষা কারিকুলামকে মূল্যায়ন করে জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালনা করা।
আমাদের ভাবনা: আপনার সন্তান শিক্ষার পাশাপাশি সুষ্ঠু সভ্যতার ধারকবাহক হোক। অর্থাৎ একজন ভালো মানুষ হোক। তার চিন্তা চেতনা হয়ে উঠুক বিশ্ব পরিমণ্ডলের খাঁটি ধারকবাহক। ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার পারদর্শী, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায়ও শিক্ষিত হয়ে উঠুক। তার রুচি যেন মানুষকে আকৃষ্ট করে। আমাদের এই চিন্তা ভাবনা আল্লাহ তায়ালা যেন কবুল করেন এবং দেশবাসী যেন উপকৃত হয়।

# ২০২৮ সালের মধ্যে ২০০+ এতিম শিশুর দায়িত্ব গ্রহণ

প্রতিটি এতিম শিশুর চোখে লুকিয়ে থাকে একটি স্বপ্ন—একটি নিরাপদ আশ্রয়, একটি স্নেহময় পরিবার, ভালোবাসা, শিক্ষা এবং সম্মানের সঙ্গে বেড়ে ওঠার অধিকার। কিন্তু বাস্তবতার কঠিন পথে অনেক শিশুই এসব মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

আল ক্বিরাত চিল্ড্রেনস ভিলেজ সেই বঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি পরিবার গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের লক্ষ্য শুধু তাদের আশ্রয় দেওয়া নয়; বরং ইসলামী মূল্যবোধে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, পোশাক এবং একটি ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশে তাদের বেড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি করা।

আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার—২০২৮ সালের মধ্যে ২০০+ এতিম শিশুর পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করা। ইনশাআল্লাহ,
তারা যেন নিজেদের কখনো একা বা অসহায় মনে না করে; বরং একটি পরিবারের সদস্য হিসেবে নিরাপদ, সম্মানজনক ও সম্ভাবনাময় জীবন পায়।

এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আপনার দোয়া, সহযোগিতা এবং সদকায়ে জারিয়ার অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার একটি সহযোগিতা একটি শিশুর জীবন বদলে দিতে পারে, আর একটি শিশুর জীবন বদলে যাওয়া বদলে দিতে পারে একটি পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি সমাজ গড়ি, যেখানে কোনো এতিম শিশু ভালোবাসা, শিক্ষা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ থেকে বঞ্চিত থাকবে না।

#মাত্র ১০০ টাকায় গড়ে উঠুক একটি স্থায়ী সদকায়ে জারিয়া

২,২০,০০০ জন মানবিক মানুষের অংশগ্রহণেই পূরণ হবে একটি মহৎ স্বপ্ন

একজন মানুষ একা একটি ভবন নির্মাণ করতে পারেন না। কিন্তু ২,২০,০০০ জন মানুষ যদি মাত্র ১০০ টাকা করে অনুদান দেন, তাহলে আমরা একসঙ্গে সংগ্রহ করতে পারব ২ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এই অর্থ দিয়ে ইনশাআল্লাহ নির্মিত হবে একটি লিফট-সুবিধাসম্পন্ন, প্রায় ১৪,০০০ বর্গফুটের আধুনিক ৫ তলা মাদরাসা ভবন—যেখানে এতিম, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে কুরআন, ইসলামি শিক্ষা এবং আধুনিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।

কেন আপনার ১০০ টাকা গুরুত্বপূর্ণ?

হয়তো ১০০ টাকা আপনার দৈনন্দিন জীবনের খুবই ছোট একটি ব্যয়। কিন্তু সেই ১০০ টাকাই যখন লাখো মানুষের ভালোবাসার সঙ্গে যুক্ত হবে, তখন সেটিই রূপ নেবে একটি স্থায়ী দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্রে—যেখান থেকে অসংখ্য হাফেজ, আলেম ও সৎ মানুষ গড়ে উঠবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ وَلَهُ أَجْرٌ كَرِيمٌ

«”যে ব্যক্তি আল্লাহকে উত্তম ঋণ প্রদান করে, আল্লাহ তার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেন।”
(সূরা আল-হাদীদ, ৫৭:১১)»

আপনার এই অনুদান হতে পারে এমন একটি সদকায়ে জারিয়া, যার সওয়াব ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকবে।

আপনি চাইলে এই অনুদানটি নিজের পক্ষ থেকে অথবা আপনার মরহুম মা-বাবা, দাদা-দাদী কিংবা নানা-নানির নামে উৎসর্গ করতে পারেন। আল্লাহ তাআলা যেন এটিকে তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান ও রহমতের কারণ বানিয়ে দেন।

আমাদের লক্ষ্য

– ২,২০,০০০ জন মানবিক মানুষ
– প্রতিজনের অনুদান: মাত্র ১০০ টাকা
– মোট লক্ষ্য: ২ কোটি ২০ লাখ টাকা
– স্বপ্ন: লিফট-সুবিধাসম্পন্ন ১৪,০০০ বর্গফুটের আধুনিক ৫ তলা মাদরাসা ভবন

আপনার একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে হাজারো শিশুর ভবিষ্যৎ

আজ আপনি যে ১০০ টাকা দান করবেন, তা হয়তো আগামী প্রজন্মের একজন হাফেজে কুরআন, একজন আলেম, একজন আদর্শ মানুষ এবং একজন দ্বীনের খাদেম গড়ে তোলার ভিত্তি হবে।

আজই অনুদান দিন

মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে এই মহৎ উদ্যোগের অংশীদার হোন।

আপনার অনুদান শুধু একটি ভবন নির্মাণ করবে না; এটি নির্মাণ করবে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং আপনার জন্য রেখে যাবে এক অব্যাহত সদকায়ে জারিয়া, ইনশাআল্লাহ।